সুনামগঞ্জ , রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ , ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রস্তাবিত বাজেট অধিক ঋণনির্ভর, অবাস্তবায়নযোগ্য ও লুটপাটের : জামায়াত সুবিপ্রবি উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে ১০ দিনের আল্টিমেটাম কারা নির্যাতিত নেতাকর্মীদের নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওরে এমপি কামরুলের আনন্দ ভ্রমণ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে : এনবিআর চেয়ারম্যান হাঁটু সমান কাদা, চলাচলে চরম দুর্ভোগ : পশ্চিম টিলাগাঁও সড়ক সংস্কারের দাবি হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার, দম্পতি আটক ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে দোয়ারাবাজারে গণশুনানি হাওরের জন্য জলবায়ু খাতে ১,২০০ কোটি টাকা, ফিরছে টাঙ্গুয়ার সহব্যবস্থাপনা প্রকল্প শাহজালাল (র.) ও শাহপরাণ (র.) মাজারের আয়ের টাকা কোথায় যায়, হিসেব চাইলো জেলা প্রশাসন হাওরাঞ্চলের জন্য ২,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ, কোন খাতে কত দাম বাড়তে পারে, কমতে পারে যেসব পণ্য ও সেবার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব ইউরোপগামী পথে মৃত্যু থামছে না, পাঁচ মাসেই প্রাণহানি ১৩০০ ছাড়াল কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে, উৎস নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না ন্যায়বিচারের দাবি বাদীর, হয়রানির অভিযোগ এলাকাবাসীর বিশ্বম্ভরপুরে অবৈধ জাল জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস সুবিপ্রবি’র ভিসি অপসারণ ও স্থায়ী ক্যাম্পাস সদর উপজেলায় বাস্তবায়নের দাবি নির্যাতিত ৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আজ হাওরে আনন্দভ্রমণে যাচ্ছেন এমপি কামরুল আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল পুশ-ইন ও সীমান্ত হত্যা ইস্যুতে মাঠে নামছে ১১ দল

ভাঙন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপের দাবিতে সুরমা পাড়ে মানববন্ধন

  • আপলোড সময় : ২৫-১০-২০২৫ ০৮:২৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৫-১০-২০২৫ ০৮:২৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
ভাঙন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপের দাবিতে সুরমা পাড়ে মানববন্ধন
স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার হরিনাপাটি গ্রামটি সুরমা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভয়াবহ ভাঙনে গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে আতঙ্ক। প্রশাসনের কাছে বারবার আবেদন ও মানববন্ধন করেও কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা না হওয়ায় হতাশ স্থানীয়রা। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বাদ জুমা সপ্তম দফায় মানববন্ধন করেছেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ২নং রঙ্গারচর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের হরিনাপাটি গ্রামবাসী। সুরমা নদীর তীরে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সাবেক ইউপি সদস্য মো. আব্দুল খালিক এবং সঞ্চালনা করেন সমাজসেবী সাফি উদ্দিন ফাহিম। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন হাফিজ আনোয়ার হোসেন, শিক্ষক আবুল খায়ের, আলহাজ আছদ্দর আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, মো. আহাদ আলী, ইউপি সদস্য শরকত আলী, ব্যাংক কর্মকর্তা রেজাউল হক, শাহবাজ মিয়া প্রমুখ। বক্তারা বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে জেলা প্রশাসক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে শুরু করে পাউবো’র মহাপরিচালক পর্যন্ত লিখিতভাবে আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত নদী ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র কিছুসংখ্যক জিও ব্যাগ ফেলা হলেও তা ভাঙন ঠেকাতে সক্ষম নয়। তারা আরও বলেন, আমাদের ঐতিহ্যবাহী গ্রামটির প্রাচীন মসজিদ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মক্তব, বাজার ও এলজিইডি সড়ক এখন নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার মুখে। যেকোনো সময় নদী এগুলো গিলে ফেলতে পারে। গ্রামবাসীর দাবি, জরুরি ভিত্তিতে ভাঙনপ্রবণ এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে স্থায়ী ব্লক বসানোর উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে সর্বনাশা ভাঙনের হাত থেকে গ্রামটি রক্ষা করা যায়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সুবিপ্রবি উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে ১০ দিনের আল্টিমেটাম

সুবিপ্রবি উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে ১০ দিনের আল্টিমেটাম